সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪

দক্ষিণ কোরিয়ায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে শেষ কয়েক মিনিটে কী ঘটেছিল

 


prothomalo


দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় গতকাল রোববার জুজু এয়ারের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহত হয়েছেন।

উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে শেষ কয়েক মিনিটের ঘটনাপ্রবাহের তথ্য দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং অগ্নিনির্বাপণ কর্তৃপক্ষ। পাঠকের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট—মুয়ান বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার থেকে উড়োজাহাজটিকে ১ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়।

সকাল ৮টা ৫৭ মিনিট—উড়োজাহাজটির অবতরণপথে পাখি ওড়াউড়ির সতর্কতা দেয় নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার।

সকাল ৮টা ৫৯ মিনিট—উড়োজাহাজের পাইলট নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারকে পাখির আঘাতের কথা জানান এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। তাঁরা ‘মেডে’, অর্থাৎ বিপন্ন অবস্থার কথা ঘোষণা করেন। পাখির আঘাতের কথা বলেন। উড়োজাহাজটিকে ফিরে যেতে বলেন।

সকাল ৯টা—উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারের কাছে ১৯ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি চায়। এই রানওয়ে একেবারে বিপরীত দিকে অবস্থিত।

সকাল ৯টা ১ মিনিট—নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার উড়োজাহাজটিকে ১৯ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেয়।

সকাল ৯টা ২ মিনিট—২ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ের মাঝপথে অর্থাৎ ১ হাজার ২০০ মিটারে এসে উড়োজাহাজটির চাকা রানওয়ে স্পর্শ করে।

সকাল ৯টা ২ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড—নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণ উদ্ধার ইউনিটে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার সতর্কসংকেত (ক্র্যাশ বেল) জারি করে।

সকাল ৯টা ২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড—বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণ উদ্ধার ইউনিট উদ্ধারের সরঞ্জামাদি প্রস্তুত করে।

সকাল ৯টা ৩ মিনিট—উড়োজাহাজটি রানওয়ের শেষ প্রান্তে থাকা একটি প্রাচীরে গিয়ে প্রচণ্ড বেগে আঘাত করে।

সকাল ৯টা ১০ মিনিট—পরিবহন মন্ত্রণালয় বিমান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিমান দুর্ঘটনার খবর পায়।

সকাল ৯টা ২৩ মিনিট—একজন পুরুষকে উদ্ধার করা হয় এবং তাঁকে অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

৯টা ৩৮ মিনিট—মুয়ান বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

৯টা ৫০ মিনিট—বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটির পেছনের অংশ থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: